গাজায় ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে না পেরে পিছু হটতে শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। হামাসের সঙ্গে টিকতে না পেরে গণহত্যা চালিয়েও যখন একের পর চৌকস সেনাকর্মকর্তাকে হারাতে হচ্ছে তখনই বেদিশা হয়ে পিছু হটা শুরু করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।
এরইমধ্যে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সীমান্ত থেকে আংশিকভাবে সেনা সরিয়ে নিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। হামাস এ তথ্য জানিয়েছে।
এ সম্পর্কে এক বিবৃতিতে হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি বলেছেন, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কারণে হামাসের তৎপরতায় কোনো প্রভাব পড়বে না; বরং তার সংগঠন যথোপযুক্ত পদক্ষেপই নেবে।
এছাড়া, ইসরাইলি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জুহরি বলেন, শুক্রবারের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার জন্য ইহুদিবাদীরাই দায়ী। তার দাবি, ইসরাইলি সেনারা অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে গাজার ভেতরে ঢুকে গুলি চালানোর কারণেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং হামাস আত্মরক্ষার জন্য জবাব দিতে বাধ্য হয়।
আবু জুহরি বলেন, “যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইসরাইলি সেনারা গাজার ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে এবং হামাস যোদ্ধারা শুধুমাত্র তাদের মাতৃভূমি রক্ষার চেষ্টা করেছেন। অবরুদ্ধ গাজার বেসামরিক লোকজনকে হত্যার মধ্যদিয়ে প্রমাণিত হয় ইসরাইল গাজা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে।”
হামাস মুখপাত্র আরো বলেন, যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নির্ভর করছে ইসরাইলের আগ্রাসন অবসান এবং গাজার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়ার ওপর।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই থেকে ফিলিস্তিনে ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরাইল এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৯০০০ ফিলিস্তিনি নাগরিক। আহত ও নিহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক এবং নারী, শিশু ও বৃদ্ধ।
ইসরাইলি আগ্রাসন প্রতিরোধে যুদ্ধে নামে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন-হামাস। সংগঠনটির সামরিক শাখা ইজ্জদিন আল কাসসামের প্রতিরোধে এ পর্যন্ত ৩জন বেসামরিক নাগরিকসহ ৬৬ ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার কথা শিকার করেছে তেলআবিব।তবে হামাসের দাবি তাদের হাতে অন্তত ১৫০ ইহুদীবাদী সেনা খতম হয়েছে। (সূত্র: প্রেসটিভি)
ঢাকা, ৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





