পাকিস্তানের কিশোরী শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাইয়ের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সমালোচনা করে পাকিস্তানি তালেবান শুক্রবার তাকে ‘ইসলামী সমাজ বিরোধী সৈনিক’বলে অভিহিত করেছে।

নারী শিক্ষার অধিকারের পক্ষে প্রচারণার জন্য মালালা ২০১২ সালের অক্টোবরে তালেবানের হাতে মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে কোনরকমে প্রাণে বেঁচে যায়। এরপর থেকে এই কিশোরী সারাবিশ্বে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করে।

গত বুধবার অসলোতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার গ্রহণকালে ১৭ বছর বয়সী মালালা প্রতিটি শিশুর স্কুলে যাওয়ার অধিকারের পক্ষে তার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করে।

মোল্লা ফজলুল্লাহর নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)’র প্রধান অংশের মুখপাত্র মোহাম্মদ উমর খোরাসানি এএফপিকে বলেন, মালালা ‘শিক্ষার জন্য নয়, পশ্চিমা সংস্কৃতির পক্ষে প্রচারণার’জন্যই নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।

মোহাম্মদ উমর মালালার বাবার সমালোচনা করে বলেন, ‘মালালার বাবা জিয়াউদ্দিন পশতুন সংস্কৃতি ও পাকিস্তানকে ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে চুক্তি করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মালালার বাবা মালালাকে ইসলামী সমাজ ও ইসলামের শিক্ষার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন।’

খুব কাছ থেকে মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য মালালাকে ব্রিটেনে নেয়া হয়। তার পরিবারও সেখানে চলে যায়। তালেবানের মৃত্যুর হুমকির কারণে দেশে ফিরতে না পারায় মালালা বর্তমানে ব্রিটেনের স্কুলেই পড়াশোনা করছে।

এমএ