শুক্রবার পুলিশের অভিযানে জাহারানের বাবা ও দুই ভাই নিহত হওয়ার খবর দিলেও খোঁজ মিলছেনা বাকি স্বজনদের।
এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া বক্তব্যে জাহারান হাশিমের বোন জানান, সিরিজ হামলা ও তার পরবর্তী পুলিশের অভিযানে নিখোঁজ স্বজনরা মারা গেছে বলে তার আশঙ্কা।
জাহরান হাশিমের এই বোনের নাম মোহাম্মদ হাশিম মাথানিয়া। থানায় তিনিই হাশিমের ছিন্নভিন্ন মরদেহ শনাক্ত করেন।
শনিবার তিনি জানান, নিখোঁজ ১৮ জনের মধ্যে পাঁচ জন রবিবারের সিরিজ বিস্ফোরণের দিন থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে মাথানিয়ার বাবা, তিন ভাই ও তার ভগ্নিপতিও রয়েছেন। মাথানিয়া জানান, জাহরান হাশিমের স্ত্রী ও কন্যা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে পুলিশের দাবি মাথানিয়ার দুই ভাই ও বাবা শুক্রবার অভিযানে মারা গেছে।
রয়টার্স জানায়, জাহরান হাশিমের বাবা ও দুই ভাই নিরাপত্তা বাহিনীর এক অভিযানে নিহত হয়েছে। ২৬ এপ্রিল নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১৫ জনের মধ্যে এ তিন ব্যক্তিও রয়েছে।
রবিবার (২১ এপ্রিল) খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে উদযাপনকালে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো ও তার আশপাশের তিনটি গির্জা এবং তিনটি হোটেলসহ আটটি স্থানে সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়। দেশটির সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৫৩ জন। ওই হামলার সন্দেহভাজন মূলহোতা জাহরান হাশিম মোহাম্মদ। তাওহিদ জামাত বা এনটিজে নামে পরিচিত স্থানীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা সে।
শ্রীলঙ্কা সরকারের সন্দেহ, তার পরিকল্পনা অনুযায়ী এনটিজে’ই রবিবারের সিরিজ হামলা চালিয়েছে। আইএস’র পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে, বাগদাদির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে হাশিমের পরিকল্পনা মাফিক ওই হামলা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইস্টার সানডে’তে হোটেল সাংগ্রি-লাতে যে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়েছে তাতে জাহরান হাশিম মারা গেছে।
জেড





