জার্মান পার্লামেন্ট নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি টিভি বিতর্ক হয়েছে।
২৪ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বার্লিনে এই বিতর্ক হয়। বিতর্ক অনুষ্ঠানে সমাজের নানা স্তরের ৮০০ দর্শক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জার্মানবাসী টিভিতে বিতর্ক দেখেছেন।
জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর ও ক্ষমতাসীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের সভাপতি আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবং ক্ষমতাসীন জোট সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির অন্যতম নেতা মার্টিন শুলজের মধ্যে এই বিতর্ক হয়।
জার্মানির বৃহত্তম ও জনপ্রিয় দল দুটি চার বছর ধরে যৌথভাবে সরকার পরিচালনা করলেও তারা ২৪ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে নানান বিষয়ে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি দিচ্ছে। ভোটারদের কাছে টানতে নতুন প্রস্তাবের কথা বলেছে।
৯৭ মিনিটের বিতর্কে শরণার্থী, অভিবাসী, পেনশন, জার্মান-তুরস্ক সম্পর্ক, সামাজিক বৈষম্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোটরশিল্পের সাম্প্রতিক সমস্যা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে চারজন সাংবাদিক দুই চ্যান্সেলর পদপ্রার্থীকে প্রশ্ন করেন।
২০১৫ সালে হাঙ্গেরিতে অবস্থানরত শরণার্থীদের জার্মানিতে প্রবেশের ব্যাপারে ম্যার্কেলের সমালোচনা করেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শুলজ।
বিতর্কে উত্তর কোরিয়ার প্রসঙ্গও উঠে আসে।
জার্মানির সামাজিক খাতে পরিবারগুলোর জন্য খাজনা আরও হ্রাসের প্রস্তাবের কথা বলেন শুলজ। ম্যার্কেল ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর জন্য খাজনা কিছুটা হ্রাস করবেন বললেও তার পরিমাণের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেননি।
দুই প্রার্থীর টিভি বিতর্কের পর জার্মানির অন্যতম টেলিভিশন চ্যানেল এআরডি জানিয়েছে, বিতর্কে চ্যান্সেলর ম্যার্কেল পেয়েছেন ৫৫ শতাংশ সমর্থন। শুলজ পেয়েছেন ৩৫ শতাংশ সমর্থন।
অপর প্রধান টিভি চ্যানেল জেডডিএফ জানিয়েছে, ম্যার্কেল পেয়েছেন ৩২ শতাংশ সমর্থন। শুলজ পেয়েছেন ২৯ শতাংশ সমর্থন।
জার্মানির ১৯তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে সর্বমোট ৪২টি দল অংশ নিলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ক্ষমতাসীন কোয়ালিশন দলের দুই প্রধান শরিক ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন ও সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক দলের মধ্যে। চার বছর ধরে একই সঙ্গে দেশ শাসন করলেও এখন এই দুই দলই আসন্ন নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।
এমএ





