অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে স্পিকার ওলেকসান্দের টারচিনয়ের নাম উত্থাপন করেছ ইউক্রেনের পার্লামেন্ট। এছাড়া রাজধানী কিয়েভের বাহিরে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচের যেসকল বিলাসবহুল সম্পদ রয়েছে সেগুলো জব্দ করার জন্যও পার্লামেন্টে ভোট হয়েছে। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির পার্লামেন্ট। পার্লামেন্টে আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে আগামী ২৫ মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে।
এই সিদ্ধান্তের পরই কারাবন্দী বিরোধী নেত্রী ইওলিয়া টিমোশেঙ্কোকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। এর আগে তার মুক্তির ব্যাপারেও পার্লামেন্টে ভোট হয়েছিল।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচ ক্ষমতা থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে তিনি টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে তার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান হিসেবে উল্লেখ করেন। পার্লামেন্টের এই সিদ্ধান্তকে তিনি বেআইনি বলেও উল্লেখ করেছেন। ইয়ানুকোভিচ দাবি করেন, তিনিই ইউক্রেনের বৈধ প্রেসিডেন্ট।
বিরোধীদের কার্যক্রমকে তিনি ১৯৩০ সালে জার্মানিতে নাৎসী বাহিনীর উত্থানের সাথে তুলনা করেছেন।
বিরোধী নেতাকর্মীরাই মূলত রাজধানী কিয়েভে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচ এখন রাশিয়ার সীমান্তবর্তী একটি শহর খারখিভে অবস্থান করছেন।
প্রতিক্রিয়া
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ও বিরোধীদের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছিল সেটা অনুসরণ করতে বিরোধীরা ব্যর্থ হয়েছে।
লাভরভ বলেন, বিরোধীদের এই আন্দোলন সশস্ত্র চরমপন্থিদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে দেশটির সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তবে পোলিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি এই সমঝোতায় মধ্যস্থতা করছিলেন, তিনি বলেছেন যে ইউক্রেনের পার্লামেন্ট আইন অনুসারেই পদক্ষেপ নিয়েছে। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]