ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উত্তরাঞ্চলীয় সুন্নী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে গভীর রাতের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
আনবার প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকার বিরোধী যোদ্ধাদের মধ্যে দুদফা ভয়াবহ সহিংসতার পাশাপাশি দেশব্যাপী সহিংস ঘটনায় চলতি মাসে ৮৫০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছে।
সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ সুন্নী সম্প্রদায়কে জঙ্গিদের সংশ্রব থেকে দূরে রাখতে সুন্নী সম্প্রদায়ের দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ নিরসনের জন্য কূটনীতিক ও বিদেশী নেতৃবৃন্দ ইরাকের শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে এপ্রিল মাসের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নূরী আল-মালিকী কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
সোমবার কর্মকর্তারা জানান, রোববার আনবার প্রদেশের পাশাপাশি বাগদাদ ও রাজধানীর উত্তরাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি সহিংস ঘটনায় অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানি ও আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়।
বাগদাদের পশ্চিমে অবস্থিত সুন্নী আরব অধ্যুষিত শহর আবু গারিবে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংস ঘটনা ঘটে। এখানে পৃথক ঘটনায় ৮ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একটি চেকপয়েন্টে ৬ সৈন্যকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং একটি ব্যস্ত সড়কে এক বোমা হামলায় ২ জন নিহত হয়।
বাগদাদে দুটি পৃথক ঘটনায় বন্দুকধারীদের হামলায় ইরাকী সেনাবাহিনীর সাবেক এক জেনারেলসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও জঙ্গিরা দেশটির সর্বাধিক দুটি গোলযোগপূর্ণ শহর বাকুবা ও মসুলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় ৩ জন প্রাণ হারিয়েছে।
কিরকুকে তিনটি গাড়িবোমা হামলায় আরো ৪ জন নিহত হয়েছে। শহরটিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।
মিশাহ্দা শহরে অপর এক গাড়ি বোমা হামলায় ৩ জন প্রাণ হারিয়েছে।
এক চিকিৎসক জানান, ফালুজায় এক বাড়িতে বোমা হামলায় ১ মা ও তার ৩ শিশু নিহত হয়।
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি(টাইমনিউজবিডি)// টিআই
আন্তর্জাতিক
ইরাকে সহিংস হামলায় নিহত ২৬
ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উত্তরাঞ্চলীয় সুন্নী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে গভীর রাতের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে।





