অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারকারী ছাত্র-ছাত্রীরা কম ব্যবহারকারীদের তুলনায় পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ করছে।

জাপানে এক সরকারি জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জরিপে দেখা যায়, যেসব ছাত্র-ছাত্রী দিনে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করে তারা কেবল ৩০ মিনিট মোবাইল ব্যবহারকারীদের তুলনায় পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ ফল করছে।

জরিপে দেখা যায়, ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রতি নয় জনের একজন শিক্ষার্থী দিনে কমপক্ষে চার ঘণ্টা মোবাইল ব্যবহার করছে। ফলে পরীক্ষায় সব বিষয়ে তারা গড়ে ১৪ শতাংশ হারে নম্বর কম পেয়েছে।
জাপানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, গণিতে ১৮ পয়েন্টের বেশি নম্বর কমেছে।

তৃতীয় বর্ষের জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেক দিনে এক ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল ব্যবহার, ওয়েবসাইট ব্রাউজিং, ই-মেইল প্রেরণ ও কম্পিউটারে গেমস খেলে সময় কাটায়। এই বয়সের এক চতুর্থাংশের কোন মোবাইল সেট নেই।

গবেষণায় দেখা যায়, ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার প্রবলভাবে চালু রয়েছে। এছাড়া এলিমেন্টারি স্কুলের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ৫৪ শতাংশের মোবাইল ফোন সেট রয়েছে। এদের মধ্যে ১৫ শতাংশ দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টা মোবাইলের পেছনে ব্যয় করে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত এ জরিপে আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে যে, মোবাইল আসক্তির জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তাদের পাঠ্যবইয়ের প্রতি অনীহা তৈরি হচ্ছে।

গবেষক কাজু তাকেউচি বার্তা সংস্থা জিজিকে বলেন, মোবাইল ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীরা তাদের পড়া-লেখার সক্ষমতার প্রতি আস্থা হারাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের বাবা-মাকে তাদের সন্তানদের মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত করে দেয়ার আহ্বান জানান। সূত্র: এএফপি

ঢাকা, ২৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই