বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টধারী সাবেক সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ মুর্জা পুতিনবিরোধীদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি, যিনি শাস্তির মুখোমুখি হলেন। যদিও সব অভিযোগ ইতিমধ্যে অস্বীকার করেছেন তিনি।

কারা-মুর্জার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছর মস্কোতে আটক করা হয় তাঁকে। কারা হেফাজতে থাকাকালীন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনেন তদন্তকারীরা। গত সপ্তাহে তিনি মস্কোর একটি আদালতে শুনানিতে বলেন, ‘আমি যে কথাগুলো বলেছিলাম, তা সত্য। এর জন্য কোনো অনুশোচনা করি না। বরং আমি এর জন্য গর্বিত।’

রাশিয়ার তথাকথিত বিশেষ সামরিক অভিযানের সমালোচনার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং রুশ সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে খোলামেলা সমালোচনা করেছেন ৪১ বছর বয়সী মুর্জা।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ইউক্রেনে হামলার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন তিনি। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর কোনো সমালোচকের বিরুদ্ধে এবারই সবচেয়ে বেশি সাজা ঘোষণা করলেন রুশ আদালত।

ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর রাশিয়া নতুন একটি আইন করে। ২০২২ সালের এই ফেডারেল আইনে সেনাবাহিনী নিয়ে ‘বিশ্বাসযোগ্য নয় এমন তথ্য’ ছড়ালে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়।

এবি