ভয়াবহ বন্যার আঘাতের রেশ কাটতে না কাটতে ফের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জাপানিরা।
তীব্র তাপদাহে জাপানজুড়ে এ পর্যন্ত মোট ৩০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আর গত দুই সপ্তাহে তাপদাহ-সম্পর্কিত সমস্যার আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১০ হাজার লোক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি সপ্তাহের প্রথমদিকে কেন্দ্রীয় জাপানে তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১০৫ ফারেনহাইট)-এ পৌঁছায়। এটি গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
কিয়োটো শহরে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১০০.৪ ফারেনহাইট) ওঠার পর সেটি একটানা সাতদিন পর্যন্ত অপরিবর্তিত ছিল। ১৯ শতকে তাপমাত্রা রেকর্ড রাখার রীতি চালু হওয়ার পর এটাই এ ধরনের প্রথম ঘটনা।
হিট স্ট্রোক মোকাবেলায় স্কুলগুলোকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে জাপানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার আইচি প্রিফেকচারে একটি আউটডোর ক্লাসের সময় একজন ছয় বছর বয়সী শিশুর মৃত্যুর পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা জারি করা হলো।
এদিকে হিট স্ট্রোক ও তাপজনিত ক্লান্তিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার আহ্বান জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি। অন্যদিকে তীব্র দাবদাহের কারণে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে বন্যায় দুর্গতদের উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এ মাসের শুরুর দিকে ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে দুই শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
জেড





