ব্রাজিলের বিভিন্ন শহরে তিন মাসের ভ্রমণ শেষে অলিম্পিক মশাল রিও ডি জেনিরোতে এসে পৌছেছে। তবে মশাল পৌছুনোর পর শহরটিতে শত-শত মানুষ সহিংস বিক্ষোভ করেন এবং মশাল প্রদক্ষিণের রাস্তা বন্ধ করে দেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
অলিম্পিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাত্র দুই দিন বাকি থাকতে অলিম্পিক মশালটি যখন রিও ডি জেনিরোর উত্তরাঞ্চলে শিল্প এলাকা প্রদক্ষিণ করছিল তখন শত-শত প্রতিবাদকারী রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করেন। অলিম্পিক গেমস আয়োজনে ব্যাপক অর্থব্যয় নিয়ে তারা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই ভারী অস্ত্রে সজ্জিত দাঙ্গা পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস এবং পেপার স্প্রে ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় অন্তত একজন পুলিশ সদস্য সরাসরি বিক্ষোভকারীদের দিকে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ছেন।
অলিম্পিক আয়োজকেরা ঠিক এই ভয়েই ছিলেন যে, ব্রাজিলজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে মশাল প্রদক্ষিণ শেষে রিওতে এধরণের ঘটনা ঘটতে পারে।
বিক্ষোভের ঘটনা ঘটলেও মশালের আগমনকে স্বাগত জানান রিও-র অনেক বাসিন্দা।
রেজিনাল্ডো সান্তোস দা সিলভা নামের একজন বলছেন, আমরা একটি দারুণ গেমসের আশা করছি। আশা করি ক্রীড়াক্ষেত্রে এবং জননিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সবকিছু ঠিকভাবেই কাটবে।
এর আগে ব্রাজিলের সাবেক অলিম্পিক মেডেলজয়ীরা একটি ইয়ট চালিয়ে সমুদ্রপথে মশালটি নিয়ে রিওতে পৌছান। এরপর মশালটি নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন রিওর মেয়র এডুয়ার্ডো পায়েজ।
ব্রাজিল সরকার অলিম্পিক গেমসের সফলতা নিয়ে আশাবাদী হলেও আয়োজকেরা বলছেন, এখনো অলিম্পিকসের বিভিন্ন ইভেন্টের ১০ লাখেরও বেশি টিকেট অবিক্রীত রয়েছে। এর জন্য তারা মূলত: ব্রাজিলের অর্থনৈতিক মন্দা এবং জিকা ভাইরাসকে দায়ী করছেন।( সূত্র:বিবিসি বাংলা)
জেড





