ভারত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করলে তার ভয়াবহ ফল হবে, এমন জবাব দেয়া হবে যা ওরা স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না। পাকিস্তানের সেনেট অধিবেশনে জ্বালাময়ী ভাষণে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।

নিয়ন্ত্রণ রেখা ও অস্থায়ী সীমান্তে ভারত যুদ্ধবিরতি ভাঙছে, অভিযোগ তুলে তার জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সেনেট সদস্য শেহর কামরানের পেশ করা প্রস্তাবের ওপর ভাষণ দেন আসিফ। পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে ভারত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর সাহস দেখালে মুখের মতো জবাব পাবে, বলেন তিনি। ভারতের এর আগের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবি মিথ্যা, ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন কামরান।

রেডিও পাকিস্তানের খবর, কামরান বলেন, কাশ্মীরের আন্দোলনের পিছনে সীমান্ত পেরনো অনুপ্রবেশ ও সন্ত্রাসবাদ রয়েছে বলে দেখানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। তার দাবি, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৩০টি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ভারত। ৪৫ জন পাকিস্তানি নাগরিক এতে প্রাণ হারিয়েছেন। ভারতের যুদ্ধবিরতি ভাঙার কথা জাতিসঙ্ঘ সামরিক পর্যবেক্ষক গ্রুপকেও জানানো হয়েছে।

পাকিস্তান কাশ্মীরীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সমর্থনে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, নৈতিক সমর্থন বহাল রাখবে বলেও জানিয়ে দেন আসিফ।

চলতি মাসের শুরুতে পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তান সেনার মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, ভারতের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে পুরোদমে তৈরি পাক সশস্ত্র বাহিনী।

এদিকে পাকিস্তান সেনেট সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক এক মন্তব্যেরও নিন্দা করেছে। পাকিস্তান যাবতীয় সন্ত্রাসের উৎস, মন্তব্য করেছিলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তান প্রস্তাবে পাল্টা বলা হয়েছে, কাশ্মীরে ভারত যে ‘অত্যাচার’ চালাচ্ছে, তা থেকে নজর ঘোরাতেই এমন ‘ভিত্তিহীন’ প্রচার চলছে।

মাহমুদ