নাইজেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শনিবার ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মাদু বুহারির কাছে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।
স্বাধীনতার পর এবারই দেশটিতে সবচেয়ে হাড্ডহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি) ১৯৯৯ সাল থেকে নাইজেরিয়ার রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তবে অল প্রগ্রেসিভ কংগ্রেস (এপিসি) কে এবার ব্যাপক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, শনিবার গ্রিনিচ সময় সাতটায় নির্বাচন শুরু হয়ে গ্রিনিচ সময় ১৭ টা পর্যন্ত চলবে।
নির্বাচন চলাকালে ও এর পরে সহিংসতা প্রতিরোধে দুই প্রধান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ২০১১ সালে নির্বাচনের পর সহিংসতায় প্রায় ৮শ’ লোক নিহত হয়েছিল।
দেশটিতে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণে নির্বাচন কমিশনকে আরো সময় দিতে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জঙ্গি সংগঠন বোকো হারামের দখলে থাকা অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে আঞ্চলিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য ওই নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া হয়।
শুক্রবার নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, তারা গোজা শহরের পুনঃনিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এখানে বোকো হারামের সদর দপ্তর ছিল বলে ধারণা করা হত।
নাইজেরিয়ার ৩৬ টি রাজ্য ও রাজধানী আবুজার ভোটাররা শনিবার ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্য নির্বাচন করবেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন শুক্রবার বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে নাইজেরিয়ায় নতুন নেতৃত্ব আসবে এমন প্রত্যাশা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
তিনি ব্যাপকভাবে ভোটদানে নাইজেরিয়ার ভোটারদের প্রতি আহবানও জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টে নির্বাচন হবে ‘স্বচ্ছ, সমন্বিত ও শান্তিপূর্ণ’।
এমএ





