মালির একটি সামরিক ঘাঁটিতে একদল বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ১৭ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় শহর নামপালার ওই সামরিক ঘঁটিটি দখল করে এর একটি অংশে আগুন ধরিয়ে দেয় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হামলাকারীরা, জানিয়েছে বিবিসি।
মঙ্গলবার সকালে চালানো এ হামলায় আরো অন্তত ৩৫ সেনা আহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
দুটি আলাদা গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
হামলার ঘটনা জানার পর মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বৌবাকার কেইটা নিরাপত্তা বিষয়ক জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। বৈঠকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের ডাকা হয়েছে।
সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় কতজন বন্দুকধারী ছিল তা জানা যায়নি। মালিতে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠ সক্রিয় রয়েছে, এদের মধ্যে সহিংস জাতিগত গোষ্ঠীর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থি গোষ্ঠীও রয়েছে।
সম্প্রতি গঠিত একটি গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, ফুলানি নৃগোষ্ঠীর ওপর মালির সেনাবাহিনীর হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
কিন্তু একইসঙ্গে জঙ্গিগোষ্ঠী আনসার দ্বিনিও হামলার দায় স্বীকার করেছে।
গত বছর রাজধানী বামাকোর একটি হোটেল চালানো প্রাণঘাতী হামলার দায়ও তিনটি আলাদা জঙ্গিগোষ্ঠী দায় স্বীকার করেছিল।
২০১২ সালে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো মালির উত্তরাঞ্চল দখল করে নিয়েছিল। এদের কারও কারও সঙ্গে আল কায়েদারও যোগাযোগ ছিল।
মালি সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ২০১৩ সাল থেকে দেশটিতে অবস্থান নেওয়া ফরাসি সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে হটিয়ে দেয়। এদের পাশাপাশি দেশটিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন থাকলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই প্রাণঘাতী হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।
এমই





