দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’ আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস চীনের পর যেখানে বেশি ছড়িয়েছে, সে দেশটি জাপান।
সেখানে এতদিনে আক্রান্ত সংখ্যা ২৫০ ছাড়ালেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে প্রথম বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)।
এদিন দেশটির কানাগাওয়া জেলায় অশীতিপর এক বৃদ্ধা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
জাপানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাৎসুনোবু কাতু জানিয়েছেন, গত ২২ জানুয়ারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ওই নারী। চিকিত্সাও চলছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তার মৃত্যু হয়। আর এরপরই তার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, রাজধানী টোকিওতে এক ট্যাক্সিচালকও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মেডিক্যাল পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাস মিলেছে।
জাপানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ওয়াকাইয়ামায় এক চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এছাড়া সবমিলে এখানের প্রায় পৌনে ৩০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে সূর্যোদয়ের দেশটিতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
এদিকে, হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রুদ্রমূর্তি ধারণ করে চীনের প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। ভাইরাসটির আতুরঘর হুবেইপ্রদেশেই ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারান ২৪২ জন। চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক হাজার ৩৫৫ জন। সেই মৃতের সংখ্যায় শুক্রবার যুক্ত হয়েছে আরো ১১৬ জন। সব মিলিয়ে করোনাভাইরাসে এ নিয়ে পুরো বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৩ জনে।
শুক্রবার হুবেই স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার হুবেইপ্রদেশে মারা গেছেন ১১৬ জন। নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও চার হাজার ৮২৩ জন। শুধু হুবেইতেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫১ হাজার ৯৮৬ জনে।
এমবি





