পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় রাষ্ট্রের অতি গোপনীয় কিছু তথ্য ব্যক্তিগত ইমেইলে ব্যবহার করতে গিয়ে কোনো তথ্য অসাবধানে ব্যবহার হয়ে গেছে কী না এই নিয়ে জেরার মুখে পড়েছেন হিলারি ক্লিনটন।

তবে, ব্যক্তিগত ইমেইলে অফিসিয়াল গোপনীয় কোনো নথি তিনি ব্যবহার করেননি বলেই দাবি করেছেন মিসেস ক্লিনটন।

বেশ কয়েকটা মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটে কাজ করার চেয়ে নিজের একটা ব্ল্যাকবেরি ফোন থেকেই সব কাজ একবারে করাটা অনেক সহজ। তাই, কাজের সুবিধার্থেই তখন এই ব্যবস্থা করেছিলেন, বলেন মিসেস ক্লিনটন।

কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে মিসেস ক্লিনটনের অনিরাপদ ইমেইল ব্যবহারের অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

অনিরাপদ ইমেইল ব্যবহার করাটা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে কী না সেটিই এখন খতিয়ে দেখছে মার্কিন বিচার দপ্তর।

মিসেস ক্লিনটনের এই ইমেইল ব্যবহার নিয়ে এক ধরণের বিতর্ক রয়েছে।

সন্দেহবাদীরা মনে করেন যে, নিজের আধিপত্য ও এখতিয়ারকে আরো বেশি প্রভাবশালী করার জন্যই তিনি এই কাজ করেছিলেন।

সমালোচকেরা এটাও বলেন যে, অনিরাপদ ইমেইল ব্যবহার করে হিলারি ক্লিনটন তার নিজের ইমেইলকে হ্যাকারদের কাছে সহজে হ্যাক করার মতন একটি সহজ বিষয়ে পরিণত করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি

এফএফ