সোমবার (৭ আগস্ট) তিউনিসিয়ার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তিউনিসিয়ার কেরকেনাহ দ্বীপের উপকূলে অভিবাসী বোঝাই নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪ জন অভিবাসী মারা গেছেন।
এ ঘটনায় আরও ৫১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে রোববার (৬ আগস্ট) রয়টার্সকে জানিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগীয় এক কর্মকর্তা।
অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে থাকা সকল অভিবাসীই সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিউনিসিয়ার উপকূলে অসংখ্য মানুষ সমুদ্রে ডুবে গেছে। সেই সাথে তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ইতালির দিকে যাওয়ার চেষ্টাও অনেক বেড়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিপজ্জনক ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। মূলত যারা ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক, তিউনিসিয়া সেসব অভিবাসীদের জন্য একটি কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
বিপজ্জনকভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়ছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে তিউনিসিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশটির উপকূলে ডুবে যাওয়া অভিবাসীদের ৯০১ টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
বার্তা সংস্থাটি বলছে, সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর বহু মানুষ দারিদ্য ও সংঘাতময় জীবন থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের এ কাজে লিবিয়াকে ছাপিয়ে তিউনিসিয়ার উপকূল রেখা অভিবাসীদের কাছে প্রধান এক্সিট পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।
এন





