[b]তেহরান:[/b] আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ইরানের পরমাণু চুক্তি৷ চুক্তি অনুযায়ী,ইরান তার পরমাণু কর্মসূচির কিছু কার্যকলাপ সীমিত করবে৷
চুক্তি অনুযায়ী, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমিয়ে আনবে ইরান,যা পাঁচ শতাংশের বেশি হবে না৷ এ ছাড়া, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদও কমাবে৷ এর বিনিময়ে ইরানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে৷ যেমন সোনা,মূল্যবান ধাতু,মোটরগাড়ি ও পেট্রোকেমিকেল রপ্তানির ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হবে৷ বিদেশে আটকে থাকা ৪.২ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব কয়েক দফায় ফিরিয়ে আনতে পারবে ইরান৷ আগামী ছয় মাসে নতুন নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হবে না৷
তেহরান ব্রাসেলস ও ওয়াশিংটনকে নতুন আণবিকনীতি বাস্তবায়নের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে৷বাড়িয়ে দিয়েছে আপোস মীমাংসার হাত৷
প্রশ্ন জাগতে পারে,এই চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,ইরান ও বিশ্ব সমাজের জন্য কতটা জরুরি? উত্তরে বলা যায়,এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যামেরিকা ইরানের সাথে আণবিক সংকটের একটা শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি করতে পারবে৷ প্রেসিডেন্ট ওবামার সামনে এসেছে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ঝুঁকি রোধ করার এক ঐতিহাসিক সুযোগ৷ আর বিশ্ব সমাজ এই চুক্তির মাধ্যমে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে৷
ইরানের জন্য এই চুক্তি বয়ে আনবে শান্তির বাতাবরণ৷ এনে দেবে আণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসা ও আন্তর্জাতিক সমাজে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ৷
তা সত্ত্বেও দু'পক্ষই প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে পারে৷ ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনীর অনুমোদন ছাড়া পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে এই চুক্তি করা সম্ভবই হতো না৷ কিন্তু ইরানের কট্টর রক্ষণশীলদের মধ্যেও রয়েছে নানা মতভেদ৷
বিপ্লবী গার্ডদের একাংশ পশ্চিমের সঙ্গে বিরোধিতার পক্ষপাতী৷ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদের আণবিক নীতি কয়েকজন উচ্চপদস্থ অফিসারের কাছে ছিল খুব আকর্ষণীয়৷এই গোষ্ঠীটি আণবিক নীতির ব্যাপারে নতুন ধারাটি খুব সহজে মেনে নেবেন না৷
অ্যামেরিকাতেও সবাই যে এই চুক্তি ব্যাপারে সন্তুষ্ট তা বলা যায় না৷ ওয়াশিংটনের ১০০ জনের মধ্যে ৫৯ জন সিনেটর ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আরো কড়াকড়ি করা পক্ষপাতী৷
তাদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে,যা অর্জন হয়েছিল তাও বিনষ্ট হবে৷
এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির মাধ্যমে শান্তির সূচনা সবে শুরু হলো ৷ তবে দীর্ঘস্থায়ী ও আশাপ্রদ ফলাফলের জন্য প্রয়োজন সুচিন্তিত পদক্ষেপ ও ধৈর্য৷ রাজনৈতিক অল্পদর্শিতা ও দ্রুত সিদ্ধান্তে দেখা দিতে পারে উল্টো ফল৷ তাই বলা যায় যে,দু'পক্ষের হার্ডলাইনারদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করা ঠিক হবে না৷ নিকট ও মধ্যপ্রাচ্যে ভুল করার মতো কোনো সুযোগ আর নেই৷ সূত্র: ডি ডাব্লিউ
ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বন্ধুত্ব গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ
তেহরান: আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ইরানের পরমাণু চুক্তি৷ চুক্তি অনুযায়ী,ইরান তার পরমাণু কর্মসূচির কিছু কার্যকলাপ সীমিত করবে৷ চুক্তি অনুযায়ী, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমিয়ে আনবে ইরান,যা পাঁচ শতাংশের বেশি হবে না৷
ইরানকে অত্যাধুনিক ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক দিচ্ছে রাশিয়া
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক সরবরাহে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর ব্যবহৃত নির্ভুল নিশানার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে এসব উৎক্ষেপক কাজে লাগবে। এর মধ্য দিয়ে মস্কো ও তেহরানের সামরিক সহযোগিতার নতুন দিক সামনে এসেছে।
ইরানে মার্কিন হামলার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিনের শুরুতেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে।
ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, দফায় দফায় বিস্ফোরণ
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
শত্রুর হামলার জবাব দিতে ভৌগোলিক সীমা মানবে না ইরান: মোজতবা খামেনি
শত্রুপক্ষের যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনা না করে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।















