২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল হ্যাক করেছিল চীন। কোনো ধরনের প্রমাণ ছাড়াই এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার এক টুইটার বার্তায় ট্রাম্প এ দাবি করেন। কিন্তু সপক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ দাখিল করেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল হ্যাক করেছে চীন। ইমেইলের অনেকগুলোতেই গোপনীয় তথ্য ছিল। পরবর্তী পদক্ষেপ এফবিআই ও ডিওজে (যুক্তরাষ্টে র বিচার বিভাগ) নিলে ভালো হতো। অথবা তাদের অন্যান্য সব ধরনের ভুলের পর (কমি, ম্যাককেইব, স্ট্রক, পেইজ, ওয়া, এফআইএসএ, নোংরা দলিলপত্র ইত্যাদি) তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা চিরতরে হারিয়ে যাবে!’

এর আগে মঙ্গলবার আরেক টুইটে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার হ্যাক করেছে চীন। তারা কি নিশ্চিত এটি রাশিয়া ছিল না (শুধু মজা করছি!)? এ বিষয়ে এফবিআই ও ডিওজের মতভেদগুলো কী? আসলে অনেক বড় গল্প। অনেক গোপনীয় তথ্য!’

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে ডেমোক্রেট কর্মকর্তাদের ইমেইল হ্যাকের ব্যবস্থা করেছিল রাশিয়া। হিলারি ও ডেমোক্রেট পার্টির কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করার অভিযোগে জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল গ্রান্ড জুরি রাশিয়ার ১২ জন গোয়েন্দাকে অভিযুক্ত করেছেন।

২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা ও রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের প্রচারণা শিবির মস্কোর সঙ্গে কোনো আঁতাত করেছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলার। ওই নির্বাচনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছে রাশিয়া। আর রাশিয়ার সঙ্গে আঁতাতের কথা অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প।

এমআর