মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরের উপনির্বাচনে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী থাকতে হলে জিততেই হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

ভবানীপুরের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় নিয়ে অবশ্য কোনও সংশয় নেই তৃণমূল শিবিরের। চিন্তা শুধু ব্যবধানের অঙ্ক নিয়ে।

মমতার ভোটের ব্যবধান বাড়তেই দিকে দিকে উল্লাস তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকদের। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত একাদশ রাউন্ড শেষে ভবানীপুরে মমতার ভোটের ব্যবধান ৩৩ হাজার ৯২২। খরব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভবানীপুর উপনির্বাচনে কার পক্ষে কতজন টিপলেন ইভিএমের বোতাম- স্থানীয় সময় রোববার (০৩ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শুরু হয় তার হিসেবনিকেশ। একইসাথে ভোট গণনা হবে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচনের। সেইমতো প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের তিনটি আসনের ভোট গণনা থাকলেও যাবতীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা আবর্তিত হচ্ছে ভবানীপুরকে ঘিরেই। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা ভারতের নজর আজ এই কেন্দ্রের দিকে। ‘মমতার ভোট, মমতাকে ভোট’ স্লোগানে ভর করে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। মমতার লক্ষ্য একটাই- ‘রেকর্ড মার্জিন’। ‘ঘরের মেয়ে’-র বিপুল ব্যবধানে জিতিয়ে এই ‘মিনি ভারতবর্ষ’ মোদি-শাহ বিরোধী ‘মিশন-২০২৪’-এর সূচনা করবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

২০১১ সালের উপনির্বাচনে ভবানীপুরের ৪৪.৭৩ শতাংশ ভোটার ইভিএমে বোতাম টিপেছিলেন। তার মধ্যে ৭৭ শতাংশ ভোটই গিয়েছিল মমতার দিকে। সেবার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫৪ হাজারের কিছু বেশি। এবার ভোট পড়েছে ৫৭.০৯ শতাংশ। দলনেত্রী জয়ের ব্যবধানে অতীতের সব নজির ছাপিয়ে যাবেন বলে আশাবাদী তৃণমূল। উল্টা দিকে উপনির্বাচনের গতিপ্রকৃতি দেখে গত মে মাসে ঝুলিতে আসা ৩৫.১৬ শতাংশ ভোট টিকিয়ে ব্যাপারে গেরুয়া শিবির এখন সন্দিহান। বিজেপির দাবি, তাদের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল যা-ই ভোট পাবেন, সেটা মমতার সরকারের বিরুদ্ধে জন অনাস্থার ভোট!

সিপিএমও আছে ময়দানে। তাদের পণ অবশ্য জামানত বাঁচানোর।

এমবি