এতে ১৫ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দেশটির সেনাবাহিনীর সাবেক এ সেনা, যিনি আফগানিস্তানেও মোতায়েন ছিলেন, তাকে তার বাল্যবন্ধু ত্রিস পোসন ‘চুপচাপ ও স্মার্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তবে তিনি কেন দেশটিতে এত বড় হামলা চালালেন?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, জব্বার হামলার আগে পাঁচটি ভিডিও ধারণ করেন এবং ফেসবুকে প্রকাশ করেন। এরমধ্যে একটিতে নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, তার ইচ্ছা ছিল কোনো একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে পরিবারের সদস্যদের ডেকে তাদের হত্যা করবেন। এছাড়া তার স্বপ্ন ছিল সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএসে যোগ দেওয়া।

কিন্তু তিনি তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন। কারণ তিনি চাইছিলেন তার এ হামলা যেন ‘বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের’ মধ্যে যুদ্ধ এমন হিসেবে প্রকাশ পায়। এ জন্য নতুন বছরের অনুষ্ঠানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন। জব্বার ভিডিওতে জানান গত গ্রীষ্মের আগে তিনি আইএসআইএসে যোগ দেন।

শামসুদ্দিন জব্বার মার্কিন সেনাবাহিনীর আইটি বিভাগে কাজ করেছেন।
শামসুদ্দিন জব্বার মার্কিন সেনাবাহিনীর আইটি বিভাগে কাজ করেছেন।

ভয়াবহ হামলার পর পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে জব্বার নিহত হন। তিনি হামলায় যে ট্রাক ব্যবহার করেন, সেটিতে আইএসের একটি পতাকা পাওয়া গেছে।

শামসুদ্দিন জব্বারের ভাই আব্দুর জব্বার ও বাবা রহিম জব্বার জানিয়েছেন, তিনি টেক্সাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। এরপর ২০০৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। সৈন্য হিসেবে ২০২০ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। আব্দুর বলেছেন, শামসুদ্দিন ছিল খুবই ঠান্ডা মেজাজের মানুষ, সহজে রাগত না। তার মতো মানুষ যে এমন কিছু করতে পারে এটি আমাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। এছাড়া আইএসআইএসে যোগ দেওয়ার কোনো লক্ষণ তার মধ্যে তিনি কখনো দেখেননি।

সূত্র: সিএনএন

এনএইচ