জাপানজুড়ে ভয়াবহ তুষারঝড়ে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন এক হাজার ৬০০ জন। ঝড়টি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইডো দ্বীপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম ও কর্মকর্তারা সোমবার এ কথা জানান।
এদিকে মারাত্মক এ ঝড়ে ভেঙে পড়েছে দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বহুল প্রচারিত পত্রিকা ইয়োমিরি শিমবুনের খবরে বলা হয়, তুষার ঝড় সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় অন্তত ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছে। এ ছাড়া সড়ক ও রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় সাত হাজার লোক নানাভাবে আটকা পড়েছে।
পত্রিকাটির খবরে আরো বলা হয়, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাজধানী টোকিওর পশ্চিমে ইয়ামানাশি এলাকায় তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ওই এলাকায় সরকারি দল পাঠানোর অঙ্গীকার করেছেন।
পার্লামেন্টে সোমবার তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জানমাল রক্ষায় আমরা সবকিছু করবো।’
জাপানের আবহাওয়া দপ্তর আরো তুষারপাত ও হিমবাহের আশংকা ব্যক্ত করে বলেছে, ঝড়টি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইডো দ্বীপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এদিকে বরফ পরিস্কারের প্রাণান্ত চেষ্টা সত্তেও কিছু পাবর্ত্য এলাকার রাস্তায় শত শত গাড়ি আটকা পড়ে আছে। ফলে দেশটির আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
কর্মকর্তারা জানান, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও পৌর সরকার আটকা পড়া গাড়ির ড্রাইভারদের জন্য জরুরি সহায়তা পাঠাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দেশটিতে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তুষার ঝড় ও তুষারপাত হচ্ছে। টোকিওর বরফ অনেকখানি গলে গেছে। তবে সপ্তাহের শেষে রাজধানীতে আবারো তুষার ঝড় শুরু হবে বলে আবাহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।[b] সূত্র: এএফপি
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]