চীন মহাকাশ কর্মসূচির আড়ালে কৃত্রিম উপগ্রহ বিধ্বংসী প্রযুক্তি গড়ে তুলছে বলে দাবি করেছেন ব্রিটেনের কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মিকাহ জেনকো। একই প্রযুক্তি অর্জনের জন্য উত্তর কোরিয়াও তৎপরতা চালাচ্ছে বলে 'মহাকাশের বিপজ্জনক ঘটনা' নামের পেপারে দাবি করেছেন তিনি।
জেনকো আরো বলেছেন, মহাকাশে আমেরিকারসহ পশ্চিমা দেশগুলোর যে সব সামরিক এবং গোয়েন্দা উপগ্রহ আছে এ জাতীয় তৎপরতার সেগুলোর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। এ আশঙ্কা ভিত্তিহীন নয় প্রমাণ করার জন্য তিনি ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি মাসে চীন যে কৃত্রিম উপগ্রহ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল, তার উদাহরণ তুলে ধরেন।
ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত নিজের একটি উপগ্রহ এ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস করেছিল চীন। পৃথিবীর কক্ষপথে পশ্চিমা দেশগুলোর স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহগুলো কত সহজে ধ্বংস করে দেয়া যায় তা এ পরীক্ষার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে বলে দাবি করেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মিকাহ জেনকো।
সেনাবাহিনীর মদদপুষ্ট চীনের মহাকাশ কর্মসূচি অল্প সময়ে পদ্ধতিগত দিক দিয়ে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে। চীন ২০০৩ সালে প্রথম মহাকাশে নভোচারী পাঠায়।   ২০০৬ সাল চাঁদে অনুসন্ধান যান পাঠায় এবং ২০২০ সালের মধ্যে দেশটি মহাকাশে মানুষের পরিচালিত মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র  স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এ ছাড়া, চাঁদেও নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির।
জেন’স স্পেস সিস্টেম অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়ের উপদেষ্টা সম্পাদক পিটার বন্ড বলেন, মহাকাশ কর্মসূচিতে চীন আগামী ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রাশিয়া ও আমেরিকার প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা ওই দুই দেশকে ছাড়িয়েও যাবে।
[b]ঢাকা, ১ মে(টাইমনিউজবিডি) // টিআই[/b]