স্রেফ সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে মেরে ফেলতে পারে না বিএসএফ। কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গুলি করতে পারেন না বলে জানিয়েছেন ভারতের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

তিনি আরও বলেন, “আগেভাগেই আপনি কাউকে খুন করে ফেলবেন এবং তারপরে অভিযোগ করবেন যে সে গবাদিপশু পাচারকারী, এ হতে পারে না।”

স্রেফ সন্দেহের বশে ১৯ বছর বয়সী গুলিবিদ্ধ ভারতীয় এক মুসলিম যুবক!

পুলিশ জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর কোচবিহারে বিএসএফের সৈন্যদের গুলিতেই নিহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি, খবর এনডিটিভি।

একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রবিবার রাতে কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ এলাকার একটি গ্রামে গবাদিপশু পাচারকারীদের ধড়পাকড়ের সময় এক বিএসএফ কর্মী শাহিনুর হককে গুলি করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

“আমরা জানতে পেরেছি যে ১৯ বছর বয়সী ওই যুবককে গুলি করে হত্যা করেন এক বিএসএফ কর্মী। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। আমরা বিএসএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি,” বলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। যার অধীনে এই সীমান্ত অঞ্চলটি পড়েছে, সেই বিএসএফ গুয়াহাটি এখনও এই ঘটনার বিষয়ে বিবৃতি দেয়নি।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ওই গ্রামে যান। মন্ত্রী পিটিআইকে জানিয়েছেন যে তিনি বিষয়টি উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবেন।

মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “গবাদি পশু পাচারকারী ছিল এই সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে মেরে ফেলতে পারে না বিএসএফ। যদি কোনও ব্যক্তি হাতেনাতে ধরা পড়ে তবে আপনারা পদক্ষেপ করুন, কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গুলি করতে পারেন না। বিষয়টি আমরা উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরব। এটা অমানবিক। আগেভাগেই আপনি কাউকে খুন করে ফেলবেন এবং তারপরে অভিযোগ করবেন যে সে গবাদিপশু পাচারকারী, এ হতে পারে না।”

এমবি