মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের প্রথমে দিনেই ক্ষমতাচ্যুত অং সান সুচির সরকারের অধিকাংশ সদস্যকে বরখাস্ত করে নতুন লোক নিয়োগ করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টর্স এবং বিবিসি বার্মিজ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, সুচি সরকারের ২৪ জন মন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সাথে নতুন ১১ জন মন্ত্রী নিয়োগ করা হয়েছে ।

নুতন মন্ত্রীদের অধিকাংশই সিনিয়র সেনা কর্মকর্তা। কয়েকজন রয়েছেন সেনা সমর্থিত দল ইউএসডিপির সদস্য। ইউএসপিডির অন্যতম নেতা উনা মং লউনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। জানা গেছে তিনি নভেম্বরের নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন।

সেনাবাহিনী পরিচালিত টেলিভিশনে নতুন এসব নিয়োগের ঘোষণা দেয়া হয়।

অভ্যুত্থান প্রতিরোধের ডাক অং সান সুচির
অং সান সুচির দল এনএলডি ফেসবুকে তাদের একটি পাতায় এক বিবৃতিতে সামরিক অভ্যুত্থান প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ করার ডাক দিয়েছে।

সেনাবাহিনীর হাতে তাদের বন্দী নেত্রীর পক্ষে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে বলে রয়টর্স বার্তা সংস্থা জানিয়েছে। নভেম্বরের নির্বাচনের আগে প্রচারণার জন্য ফেসবুকে যে অ্যাকাউন্ট এনএলডি ব্যবহার করতো, সেই পাতাতেই এই বিবৃতি পোস্ট করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা দেশকে একনায়কতন্ত্রে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। জনগণকে আমি অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন এটা মেনে না নেয়। তারা যেন সেনাবাহিনীর এই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।“

বিবৃতির নীচে মিস সুচির নাম থাকলেও তার কোনো সই নেই।

তবে বিবৃতির নীচে এনএলডির চেয়ারম্যান উইন টিনের হাতে লেখা একটি নোট রয়েছে যেখানে তিনি বলেছেন, “এই বিবৃতি সুচির “ইচ্ছার প্রতিফলন“, এবং এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।“ তিনি লেখেন, “আমি কসম করে বলছি অং সান সুচি নিজে জনগণের প্রতি এই আহ্বান জানাচেছন।“

উইন টিনের সাথে রয়টর্স যোগাযোগ করতে পারেনি। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট এবং অং সান সুচি সহ ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) দলের শীর্ষ বেশ কজন নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।তথ্য সূত্র-বিবিসি

এমবি