আট বছর আগে হওয়া এক ব্রিটিশ তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গোয়া আদালতের দেয়া রায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মেয়েটির মায়। গোয়া পর্যটন এলাকায় ২০০৮ সালে স্কারলেট কেলিং (১৫) নামের এই নারীকে ধর্ষণ করা হয়।

পরবর্তীতে এই ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৮ বছর মামলা চলে। অবশেষে শুক্রবার দেয়া এক রায়ে গোয়া আদালত এই দুই ব্যক্তিকে খালাস বলে ঘোষণা দেয়।

গোয়া আদালতের এমন রায়ের পর স্কারলেটের মা ফিয়োনা ম্যাককিউয়ান হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমার এখন যাওয়ার আর কোন যায়গা নেই। এই দেশে আমি পর্যটক। সুতরাং উচ্চ আদালতে বিচারও চাইতে পারব না।

ভারতের আইন অনুসারে পর্যটকদের যে কোন বিষয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। এ বিষয়ে স্কারলেটের মা বলেন, আমি এই দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বেশ হতাশ। আমার মেয়ের বিচার করতে নিম্ন আদালতে লেগেছে আট বছর। উচ্চ আদালতে গেলে সেখানেও হয়ত আরো আট বছর লাগবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে গোয়ার সমুদ্র সৈকতে স্কারলেটের লাশ পাওয়া যায়। এ সময় স্থানীয় পুলিশ রিপোর্ট করে, অতিরিক্ত ড্রাগ নেয়ার কারণে স্কারলেটের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি অস্বীকার করে আদালতের দ্বারস্থ হয় স্কারলেটের মা। পরবর্তীতে আবারো পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয়, মারা যাওয়ার আগে স্কারলেটকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। স্থানীয় পুলিশ জানায়, গোয়া পর্যটন এলাকার ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য তারা ভুল তথ্য দিয়েছিল।

পরবর্তীতে ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করে দুই জনকে গ্রেফতার দেখায় গোয়া পুলিশ। এই দুই ব্যক্তি প্রথম থেকেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসছিল।

 

এমএনজে