নেপালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ এই সংখ্যা ৩২১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ৬৫০০ মানুষ।
দেশটিতে গত ৮০ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ভূকম্পন। এতে রাজধানী কাঠমান্ডুর গৃহহারা বাসিন্দারা রবিবার দ্বিতীয় দিনের মত খোলা অকাশের নিচে রাত্রিযাপন করেছেন।
এসব মানুষেরা তাদের ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। বিশেষ করে রবিবার পরাঘাত (আফটার শক) হওয়ার পর আতঙ্ক আরো বেড়ে গেছে।
এছাড়া ভূমিকম্পে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টে আরোহনকারী অন্তত ১৭ জন নিহত এবং আরো ৬০ জন অঅহত হয়েছেন।
গত শনিবার রাজধানী কাঠমান্ডু ও পোখারার মধ্যবর্তী লামজুং এলাকায় ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলে এর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৯। নেপালের সঙ্গে একইভাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে।
নেপালের এই দুর্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বহু আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে একটি ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল গতকাল রবিবারই নেপালে পৌঁছেছে।
নেপালের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ৩২১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৬৫০০ বেশি মানুষ।
তবে নেপালের সরকার আশঙ্কা করছে, নিহতের এই সংখ্যা তিন গুণ বাড়তে পারে। কেন না এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে রয়েছে অনেকে।
ভূমিকম্পে গৃহহারা অনেককেই খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় খোলা রাস্তায় রাত কাটাতে দেখা যায় বহু মানুষকে। কাঠমান্ডু, ভক্তপুর, গোরখা, লামজুং ইত্যাদি ঘনবসতিপূর্ণ জায়গাগুলোয় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
এআর





