দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবার পরীক্ষামূলকভাবে দূর পাল্লার শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরানের সেনাবাহিনী ‘ইরান রিভলিউশনারি গার্ড’।

দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা মঙ্গলবার এই খবর দিয়েছে।

ইরানের পরমাণু পরীক্ষার ওপর দুমাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েই তেহরান এ পরীক্ষা চালাল।

ইরান যাতে গোপনে পরমাণু অস্ত্র বানাতে না পারে, সে জন্য তেহরানে মজুত তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়ামের পুরোটাই মাসখানেক আগে রুশ জাহাজে চাপিয়ে ইরান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

ওই ঘটনার পর ইসলামি দুনিয়ার কাছে এই বার্তা পৌছে গিয়েছিল যে, রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জকে পাশে নিয়ে এভাবেই ইরানকে কার্যত ‘খোঁড়া’ করে দিল আমেরিকা।

তেহরান আজ ফের প্রমাণ করার চেষ্টা করল, এ ধরনের প্রচারণা সত্য নয়।

গত বছরের অক্টোবরে ইরান মাঝারি পাল্লার এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সাথে জড়িত ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাতের বেলায় দূর্গসম ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

উপস্থাপক জানান, এটি একটি মাঝারি পাল্লার কিয়াম-১ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মঙ্গলবার প্রত্যুষে এটি ছোড়া হয়।

রিভলিউশনারি গার্ডের বিমান শাখার কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে সক্ষম।’

সূত্র: রয়টার্স, এপি

এআই