রোহিঙ্গা গেরিলারা শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর একটি যানবাহনের হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও সরকারী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করেছে।
গত ২৫ আগস্ট নিরাপত্তা পোস্টে সিরিজ হামলার পর মুসলিম-প্রধান রাখাইন এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়েছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সে সময় ব্যাপক আকারে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় সাড়ে ৬ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে জাতিগত নির্মূল অভিযান আখ্যা দেয় জাতিসংঘ। বৌদ্ধ-প্রধান মিয়ানমার অবশ্য তা প্রত্যাখ্যান করে।
কিন্তু ২৫ আগস্টে সামরিক বাহিনীর চেকপোস্টে হামলার পর এর দায় স্বীকার করেছিলো আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশান আর্মি (এআইএসএ)। এরপর গেরিলারা বিচ্ছিন্ন কিছু হামলা ছাড়া তেমন কিছু করেনি।
সামরিক বাহিনী সূত্র বলেছে, “চরমপন্থী বাঙালি সন্ত্রাসী এআরএসএ” শুক্রবার ট্রাকে হামলা করে। ওই ট্রাকে একজনকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল।
সরকারী সূত্র জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকা থেকে ২০ জনের মতো গেরিলা দেশি মাইন ও হালকা অস্ত্র নিয়ে একটি যানবাহনে হামলা করে। অবশ্য সামরিক সূত্র বলছে, হামলাকারীরা ছিল ১০ জন।
এআরএসএ-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, তার গ্রুপ এ হামলা করেছে।
ওই মুখপাত্র একটি মেসেজ সার্ভিসের মাধ্যমে রয়টার্সকে জানান, “হাঁ, এআরএসএ এই অভিযানের দায়দায়িত্ব নিচ্ছে।” আরও বিস্তারিত হয়তো পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
কোন ধরনের ইসলামী জঙ্গী গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে এআরএসএ। রোহিঙ্গা জনগণকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষার জন্যই এ লড়াই করছে বলে দাবি করে তারা।
এমবি





