তাদের সবারই শ্বাসরোধে সৃষ্ট সমস্যায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানাচ্ছেন কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কারাগার পরিদর্শনের সময় চারটি কারাগারে এই ৪২ মরদেহ পাওয়া যায়।

তাদের মতে, নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ দিন কারাগারগুলোতে পরিদর্শন চালানোর সময় এই মরদেহগুলো পাওয়া যায়।

চলমান সহিংসতা বন্ধ এবং ঠিক কী কারণে এতো সংখ্যক বন্দির প্রাণ ঝরেছে তা জানতে মানাউসের একটি ফেডারেল টাস্ক ফোর্সকে ঘটনা স্থলে পাঠানো হচ্ছে। ব্রাজিলের কারাগারগুলোতে গাংগুলোর মধ্যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার ও মাদককে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষ ঘটে থাকে।

এ দিকে গত রবিবার (২৬ মে) অ্যানিসিও জোবিম পেনিতেসিয়ারি কমপ্লেক্স এলাকায় সাক্ষাৎ চলাকালে বন্দিদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। তখন সংঘর্ষে লিপ্ত দু’পক্ষই পরস্পরকে টুথব্রাশ দিয়ে আঘাত এবং শ্বাসরোধে করে। আর এতেই ঘটনা স্থলেই ১৫ বন্দির মৃত্যু হয়।

রাজ্যের কারা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সোমবারে সংঘটিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রথমে ৪২ বলা হলেও পরে তা ৪০ জনে নামানো হয়। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি জেলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে।’

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত ব্রাজিলের কারাগারে প্রায় ৭ লাখ ২৭ হাজার সাতশো ২১জন বন্দি ছিল। এসব কারাগারগুলোতে গ্যাংগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দাঙ্গা ও উত্তেজনার ঘটনা অস্বাভাবিক নয়।

এর আগে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা তিন সপ্তাহ যাবত চলা সহিংসতায় অন্তত ১৫০ বন্দীর মৃত্যু হয়। তখন ব্রাজিলের দুই বৃহত্তম মাদক গোষ্ঠী- ফার্স্ট ক্যাপিটাল কমান্ড এবং রেড কমান্ড একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।সূত্র : 'রয়টার্স'

এএস