দক্ষিণ কোরিয়ায় মিডলইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রম (মার্স) ভাইরাসে আরো এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মার্সে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হলো।

এদিকে মার্স ভাইরাস বিস্তারের প্রেক্ষাপটে জনগণের ক্রমবর্ধমান ভীতি কমাতে দেশটির সরকার ‘সর্বাত্মক’পদক্ষেপ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে। সৌদি আরবের পর দ. কোরিয়ায় মার্স ভাইরাস সবচেয়ে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার রাতে নতুন করে আরও ১৪ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৬৪। এই ভাইরাসের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংস্পর্শে আসা প্রায় এক হাজার ৮২০ জনকে আলাদা করে বা বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে বুসন নগর কর্তৃপক্ষ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর ও দ্বিতীয় বৃহত্তম এ নগরীতে আরো একজনের আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে ১৪ জনের কথা বলেছে তার মধ্যে তিনি অন্তর্ভুক্ত নন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী চই কিয়াং-হোয়ান এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশে মার্স ভাইরাসের বিস্তার রোধে ‘সর্বাত্মক প্রচেষ্টা’গ্রহণের অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি জনগণকে ভীত না হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ৬৪ জন রোগীকে ইতোমধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশটির মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে কিন্ডারগার্টেন থেকে কলেজ লেভেল পর্যন্ত এক হাজার ৩শ’র বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সার বিশ্বে এক হাজার ১১০ জন মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ৪৩৭ জন। ২০ টির বেশি দেশে মার্স ভাইরাস ছড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব ঘটেছে সৌদি আরবে। এই ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা বা টিকা নেই। ভাইরাসটি প্রাণঘাতী বলে বিবেচিত।

এআর