শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইসহাক দার। তিনি বলেন, জোটটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করতে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তির আওতায় কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।

ইসহাক দার জানান, জোটের প্রথম বৈঠক ইতোমধ্যে হয়েছে। সৌদি আরবে এর সদর দপ্তর স্থাপনের প্রক্রিয়াও চলছে। পাকিস্তান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করেছে।

সৌদি আরবের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই জোটটির শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হতে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে রিয়াদে মক্কা চুক্তির কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইয়েমেনের হুথিদের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর রিয়াদে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অন্য দেশকে সদস্য করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসহাক দার। তবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার পর।

জোটের সম্ভাব্য সম্প্রসারণ নিয়ে এর আগে তুরস্কের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তবে ইসহাক দার ছয়টির বেশি আগ্রহী দেশের নাম প্রকাশ করেননি।

এস