ইউক্রেন সঙ্কটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা স্থগিত করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা স্থগিত করেছে। স্থগিত হয়ে যাওয়া সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় উচ্চ পর্যায়ের সামরিক বৈঠক, পরস্পরের বন্দর পরিদর্শন এবং পরিকল্পিত সব যৌথ সামরিক সম্মেলন।
পাশ্চাত্যপন্থী সরকার বিরোধী আন্দোলনে ইউক্রেনের রুশপন্থী প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের পতনের পর দেশটির সংকটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। ইয়ানুকোভিচের পতনের পর ইউক্রেনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল ক্রিমিয়ায় সেনা পাঠিয়ে কার্যত অঞ্চলটি দখল করে নিয়েছে রাশিয়া।
কিরবি জানান, “আমরা রাশিয়াকে ইউক্রেন সংকটের বিস্তার রোধ করার এবং ক্রিমিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
রাশিয়া ক্রিমিয়ায় সেনা পাঠানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অভিযোগ করেছেন, ক্রিমিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করতে চায় মস্কো। তবে ক্রিমিয়ায় অভিযান পরিচালনাকারী রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট বলেছে, ক্রিমিয়ায় মোতায়েন ইউক্রেনের সেনা ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের আবাসিক দফতর হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা সোমবার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা ইউক্রেনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সিনিয়র সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুসান রাইস, অর্থমন্ত্রী জ্যাক লিউ এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মার্টিন ডেম্পসি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোমবার মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছিল, ক্রিমিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে ওয়াশিংটন। মার্কিন সরকার ও তার পশ্চিমা মিত্ররা এরইমধ্যে মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করে তাহলে উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য মস্কো ‘এককভাবে দায়ী’ থাকবে।
এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছে। এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সোমবার বলেছিলেন, ইউক্রেনে বসবাসরত রুশ নাগরিক ও রুশ ভাষাভাষি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য দেশটিতে সেনা পাঠিয়েছে মস্কো। ইউক্রেনের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখা হচ্ছে সেনা পাঠানোর মূল লক্ষ্য। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]
রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা স্থগিত করেছে আমেরিকা
ইউক্রেন সঙ্কটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা স্থগিত করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা স্থগিত করেছে। স্থগিত হয়ে যাওয়া সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় উচ্চ পর্যায়ের সামরিক বৈঠক, পরস্পরের বন্দর পরিদর্শন এবং পরিকল্পিত সব যৌথ সামরিক সম্মেলন।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















