চীন এবং নেপাল কৌশলগত রেলপথ নির্মাণে সম্মত হয়েছে। বেইজিং সফররত নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলির আহ্বানে সাড়া দিয়ে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত রেলপথ নির্মাণে সম্মত হয় চীন। তিব্বতের মধ্যদিয়ে এ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এটি নির্মিত হলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য ভূমি আবদ্ধ নেপালকে আর এককভাবে ভারতের ওপর নির্ভর করতে হবে না।

চীন-নেপাল ট্রানজিট এবং পরিবহনসহ আরো ১০টি চুক্তি সই করা হয়েছে। ওলির সাত দিনের চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে এসব চুক্তি হলো। ক্ষমতায় আসার পর ওলির এটাই প্রথম চীন সফর। গতকাল চীনে পৌঁছানোর পর বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্যা পিপলে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন ওলি।

চীনা প্রধানমন্ত্রীকে ওলি বলেছেন, তিনি বিশেষ মিশন নিয়ে চীন সফরে গেছেন। তবে এ নিয়ে সাংবাদিকদের আর কোনো ব্যখ্যা দেন নি ওলি।

নয়া সংবিধান গ্রহণকে কেন্দ্র করে নেপালের মদেশী জনগোষ্ঠী বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ফলে ভারত-নেপাল সীমান্ত পথে প্রায় ছয় মাস অবরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। গত মাসে এ অবরোধের অবসান হয়েছে। ভারত এ অবরোধ আরোপ করেছে বলে অভিযোগ করছিল নেপাল সরকার।

এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু অবরোধের কারণে স্বাভাবিক জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ভোগে পোহাতে হয়েছিল নেপালের জনগণকে। আর এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বেইজিং সফরের সময় চীনের সঙ্গে আরো সরবরাহ পথ খুলতে চাইছেন কেপি ওলি। নেপালের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল গঠনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখতেও রাজি হয়েছে চীন।

সূত্র: পিপলস ডেইলি চায়না

এআই