মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ বিমানের যাত্রীদের সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে সেদেশের পুলিশ।
যাত্রীদেরই কেউ বিমানটি ছিনতাই বা কোন অন্তর্ঘাত চালিয়ে ধ্বংস করে থাকতে পারেন, এমন সন্দেহ নাকচ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রধান। তবে বিমানটির ক্রু এবং দুজন পাইলটকে নিয়ে তদন্ত চলবে।
মালয়েশিয়ার পুলিশ স্বীকার করেছে কে কোন উদ্দেশ্যে বিমানটি নির্ধারিত ফ্লাইট পথ পরিবর্তন করলো, তার কোন কূল কিনারা এখনো তারা পাননি। নিখোঁজ এই বিমানটি ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে গত ৮ই মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে লাপাত্তা হয়ে যায়।
মালয়েশিয়ার পুলিশের প্রধান খালিদ আবু বকর বলেছেন নিখোঁজ বিমানে যে ২২৭জন যাত্রী ছিলেন তাদের কেউই বিমানটি ছিনতাই, বা তাতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না অথবা তাদের কারো কোন ব্যক্তিগত বা মানসিক সমস্যা ছিল না এ বিষয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছেন।
বিমানটি আকস্মিকভাবে তার গতিপথ বদলে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের দিকে চলে যাওয়ার এগুলোকেই সম্ভাব্য কারণ হিসাবে চিহ্ণিত করেছিল মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ । তবে তিনি বলেছেন বিমানকর্মীদের ব্যাপারে ফৌজদারি তদন্তের কাজ এখনও চলবে।
কিন্তু তাদের সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেন নি।
কোনো স্পষ্ট সূত্র না থাকার ফলে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যাওয়া বিমানটির সন্ধান পাওয়া ক্রমশই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ২৫ দিনের মাথায় এসে মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রধান আরো বলেছেন এই ঘটনার কিনারা করা হয়ত কখনই সম্ভব হবে না।
তবে তল্লাশি অভিযান নিয়ে আলোচনার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক আজ অস্ট্রেলিয়া রওনা হয়েছেন। মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রধান বলেছেন এই রহস্যের কারণ সম্পর্কে এখনও তারা অন্ধকারে থাকলেও তল্লাশি অভিযানে কোনো ঘাটতি হবে না।
তিনি জানান বিমানচালক ও বিমানকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এ পর্যন্ত ১৭০টির বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। বিমানে তোলা মালামাল সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, বিমানে পরিবেশন করা খাবার সম্বন্ধেও খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
[b]ঢাকা, ৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) //  টিআই
[/b]