তুরুস্কে গণভোটের আর মাত্র দুই দিন বাকি আছে। দুই দিন পরেই জানা যাবে তুর্কি সরকার ব্যবস্থা কেমন হবে। ভোটের আগে চলছে নানা হিসাব নিকাস কি হবে জনতার রায়। চালানো হচ্ছে জরিপ।

তুরস্কে সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে আসন্ন গণভোটে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছে হ্যাঁ ভোট। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিভিন্ন জরিপে এ ফলাফল দেখা যায়। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ক্ষমতা বাড়াতে হতে যাওয়া এ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে রবিবার।

তুরস্কে বিদ্যমান সংসদীয় গণতন্ত্র নাকি প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে দেশ। রবিবার এ সিদ্ধান্ত নেবে তুর্কি জনগণ।

সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবের শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে তুরস্কে। হ্যাঁ ভোট জিতলে ১৯২৩ সালে প্রজাতন্ত্র ঘোষণার পর প্রথমবার তুরস্কের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

পরিবর্তনের ডাক দিয়ে, তুরস্কের শহরে শহরে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে এরদোগান সরকার ও তার সমর্থকরা।

এক বাসিন্দা জানান, আমি মনে করি প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থা এখন জরুরি। তুরস্কের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হতে যাচ্ছে। আমরাই জিতবো। আমাদের প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

অন্য এক বাসিন্দা জানান, প্রজাতন্ত্র থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থায় পরিবর্তিত হবে। একজনের হাতে পরিচালিত হবে দেশ, সে একজন ভালো মানুষ। তিনি আমাদের ভবিষ্যত ও দেশের জন্য ভালো কিছু করবেন। তার ওপর আমাদের বিশ্বাস আছে।

প্রাক নির্বাচনী বিভিন্ন জরিপ বলছে, ৫১ থেকে ৫২ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছে সংবিধান সংশোধনের পক্ষে।

টাই্মনিউজবিডি.নেট/ মাহমুদ