দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’ চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৪ জনে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার মানুষ।
আজ (০২ ফেব্রুয়ারি) রোববার দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
চীনের ৩১টি প্রদেশের সবগুলো এবং বিশ্বের অন্তত ১৮টি দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
চীনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে নতুন করে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৪ জনে। এ ছাড়া দেশটিতে নতুন করে আরও ২ হাজার ৫৯০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজারে।
ভাইরাস সংক্রমণের কারণে চীন ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে বেশ কিছু দেশ। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হুবেই প্রদেশেই নতুন করে ৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উহান শহরে এখন পর্যন্ত মোট ২২৪ জন প্রাণ হারালেন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯২১ জন। এই প্রদেশেই মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯০৭৪ জন।
চীনা নাগরিকদের অভিযোগ ভাইরাস ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের নেওয়া ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের ধীর গতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির উহান পৌর শাখার সেক্রেটারি মা গুয়োকিয়াং।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিকে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমি অপরাধী, অনুতপ্ত বোধ করছি। আগেই যদি নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা কঠোর করা হতো তাহলে এখন ফলাফল অনেক ভালো হতো।” তবে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দাবি, এই সংকট কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা চীনের রয়েছে।
এমবি





