বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গতকাল বুধবার রাতে আরেকটি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের বিতর্ক এটি। ওয়েস্টমিনস্টার হলে আয়োজিত এ বিতর্কের উদ্যোক্তা বিরোধী দল লেবার পার্টির এমপি গ্যাভিন শুকার, যিনি ছায়া মন্ত্রিসভায় বৈদেশিক উন্নয়ন-সহায়তা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছায়ামন্ত্রী।
এত অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় বারের মতো বিতর্ক অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে গ্যাভিন শুকার সাংবদিকদের জানান, ১৬ জানুয়ারির বিতর্কের পর ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের কাছ থেকে কী প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, তা অবহিত হওয়া এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনাই হচ্ছে এই দ্বিতীয় দফা বিতর্কের উদ্দেশ্য।
গত ১৬ জানুয়ারির বিতর্কে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধান এবং একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল ও নেতার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল।
ওই বিতর্কে অংশগ্রহণকারী এমপিদের প্রায় সবাই রাজনৈতিক কারণে বিরোধীদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন, সাবেক বিরোধীদলীয় নেত্রীকে তাঁর বাসভবনে অন্তরীণ রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাত্রাতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের সমালোচনা করেন।
তাঁরা একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সংগঠকেরা নানা ধরনের হুমকির মুখে বলে তারা মনে করেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ, হাউস অব কমন্সে প্রধান অধিবেশন কক্ষ ছাড়াও ওয়েস্টমিনস্টার হল নামে দ্বিতীয় আরেকটি অধিবেশন কক্ষ রয়েছে, যেখানে সপ্তাহের কয়েক দিন মুলতবি বিতর্ক হয়ে থাকে। মূলত, পেছনের সারির এমপি, যাঁরা ব্যাকবেঞ্চার নামে পরিচিত, তাঁদের উদ্যোগ এবং সিদ্ধান্তেই এসব বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জিই[/b]