সিরিয়ার কোবানি শহরে গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্কিন বিমান হামলায় কয়েক শত ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় শহরটিতে আইএস-এর অবস্থান লক্ষ্য করে অন্তত ৪০টি হামলা চালানো হয়। তবে, এরপরও আইএস-এর হাতে শহরটির পুরোপুরি পতনের আশঙ্কা ব্যাপক।
বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি। খবর আল জাজিরার।
এদিকে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে ইরাকে আইএস-এর অবস্থানে বিমান হামলা চালাতে পারছে না আমেরিকা ও তার মিত্ররা। আর এই সুযোগে কোবানি শহরে হামলা জোরদার করেছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট। উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর সিরিয়ায় আইএস-এর অবস্থানে হামলা শুরুর পর গত ৪৮ ঘণ্টায়ই সবচেয়ে বেশি বিমান হামলা করা হয়েছে।
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তুরস্কের সীমান্ত সংলগ্ন কোবানিতে এখন কয়েক শত বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। বাকি সবাই প্রতিবেশী তুরস্কে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন। উল্লেখ্য, কোবানি হচ্ছে কুর্দি অধ্যুষিত একটি শহর। শহরটির প্রায় অর্ধেক এখন ইসলামিক স্টেটের নিয়ন্ত্রণে। বাকি অর্ধেক কুর্দি মিলিশিয়াদের দখলে রয়েছে। তবে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রবেশপথগুলো আইএস দখল করে নিয়েছে।
এদিকে, ইসলামিক স্টেটকে দমনে স্থল সেনা মোতায়েন না করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সিনেটে বিরোধী দলের সদস্যরা তার সমালোচনা করছেন। জন ম্যাককেইন বলেন, ইরাক ও সিরিয়ায় আমরা মূলত হেরে যাচ্ছি।
তবে, হারার দাবিকে অগ্রাহ্য করে দিয়ে জন কিরবি বলেন, আমরা সেখানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সফল হচ্ছি। তবে, লক্ষ্য অর্জনে অনেকটা সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে, স্থল বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে বারাক ওবামার নীতিগত কোন সিদ্ধান্ত নেই। তিনি মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে আইএস-এর অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছেন। সূত্র: আল জাজিরা
এসএমএ





