মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ'র ইরান বিষয়ক প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও কর্মস্থলে হিংসাত্মক পরিবেশ সৃষ্টির দায়ে সোমবার তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইরানে গোয়েন্দা তৎপরতার প্রধান ছিলেন তিনি। খবর লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের।
তবে, বহিষ্কৃত গোয়েন্দা প্রধানের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তার অধীনে থাকা কর্মকর্তারাই তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনেন। তার তত্ত্ববধান নিয়েও অসন্তুষ্ট ছিলেন বেশিরভাগ কর্মকর্তা।
তার স্থলে এখন জোনাথন ব্যাংক নামের একজনকে সিআইএ'র ইরান বিষয়ক প্রধান বানানো হয়েছে।
বহিষ্কার হওয়া কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে সংস্থাটির মধ্যে প্রকাশ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। তার পরিচালন ব্যবস্থা, বৈরী ও বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে এ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তার এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর গোয়েন্দা তৎপরতা বাধাগ্রস্থ হচ্ছিল বলেও জানা গেছে।
তবে, সিআইএ এ ব্যাপারে সরাসরি কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা কোন কর্মকর্তার বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। তবে, সিআইএ'র একজন মুখপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নতুন নিয়োগ পাওয়া জোনাথন এর আগে পাকিস্তানে গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ২০১০ সালে পাকিস্তানে তার পরিচয় প্রকাশিত হয়ে পড়ে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমে তার নাম ও গোয়েন্দা তৎপরতার খবর ফাঁস হয়ে যায়। ফলে সেখান থেকে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।
পাকিস্তানে তার এ তথ্য ফাঁস হওয়ার পিছনে আইএসআই'র হাত রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। ড্রোন হামলা নিয়ে আইএসআই ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় তার পরিচয় ফাঁস করে দেয় পাকিস্তানের এই গোয়েন্দা সংস্থাটি।
এ ছাড়া, ৪৬ বছর বয়সী জোনাথন এর আগে ইউরোপের বলকান এলাকা, রাশিয়া ও ইরাকে গোয়েন্দা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া, ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত সিআইএ'র তুষার আচ্ছাদিত এলাকায় (ক্লাডেস্টাইন অপারেশন আর্মস) অপারেশন চালানো ইউনিটের প্রধান জেমস পেভিটের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সূত্র: লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস
[b]ঢাকা, ১৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডি) //এমএ [/b]