অবশেষে একজন তরুণকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিলেন ফরাসীরা। মধ্যপন্থী তরুণ ইমানুয়েল ম্যাক্রন কট্টরপন্থী মেরিন ল্যু পেনকে দ্বিতীয় দফা ভোটে পরাজিত করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিলেন।

গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচনে ২৪.০১ শতাংশ ও ২১.৩০ শতাংশ ভোট পেয়ে যথাক্রমে ম্যাক্রন ও ল্যু পেন চূড়ান্ত দফায় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। 

বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় ৬৬,৫৪৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। রাত ১২টায় বুথ ফেরত জরিপ থেকে দেখা গেছে, ইমানুয়েল ম্যাক্রন ভোট পেয়েছেন ৬৫.১% এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যু পেন পেয়েছেন ৩৪.৯% ভোট।

অন্য সময়ের থেকে এবারের ফরাসী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিশ্বের নজর কেড়েছে। প্রতিবারের মতো এবার বামপন্থীদের বিচরণ নেই। মার্কিন নির্বাচনের মতো হ্যাকিং ও ইমেইল ফাঁসের অভিযোগ রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবার নতুন করে এসেছে।

ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ল্যু পেন। তিনি অভিবাসনেরও বিপক্ষে। অন্যদিকে ম্যাক্রন একজন ব্যবসায়ী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধীও নন। 

এএফপি জানায়, সর্বশেষ জনমত জরিপে ৬২ শতাংশ সমর্থন পেয়ে ল্যু পেন থেকে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে ম্যাক্রন হ্যাকিংয়ের অভিযোগ করেন। তার প্রচারণা শিবিরের ইমেইল ফাঁস হয়েছে বলে জানান।

ফরাসী নির্বাচন কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমকে হুঁশিয়ারি করে, যেকোনো ইমেইল যেন প্রকাশ না করা হয়। যারা প্রকাশ করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এত জল্পনা কল্পনার পর নির্বাচন শেষে জয়ের মালা পড়েলন ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

এমএনজে