চার মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধারের পর জীবিত উদ্ধার করা হল ১৫ বছর বয়সী এক বালককে। তবে সময় যতই গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়া মানুষগুলোকে জীবিত উদ্ধারের আশা ততোই কমে আসছে।
দুর্ঘটনার পাঁচদিন পর বৃহস্পতিবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর এক ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ওই বালককে উদ্ধার করা হয় বলে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।
উদ্ধার পাওয়া বালকের ছবি প্রকাশ হলেও নাম-পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
এর আগে রাজধানী কাঠমান্ডুতে ভক্তপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া এক চার মাস বয়সী শিশুকে দুর্যোগের ২২ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা।
সনিত আওয়াল নামের ওই শিশুর কান্নার শব্দ উদ্ধারকর্মীদের কানে গেলে তারা সেখানে তৎপরতা শুরু করে। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।
এদিকে, ভূমিকম্পের ৮০ ঘণ্টা পর ঋষি খানাল নামে এক ২৭ বছর বয়সী যুবককেও জীবিত উদ্ধার করা হয়। কাঠমান্ডুতে এক হোটেলে দুপুরের খাওয়ার কিছুপরই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তারপর থেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়েছিলেন ঋষি।
আটকা পড়ার পর ক্রমাগত পাথর ঠুকে সংকেত দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে তিনি। ফরাসি সেনাসদস্যদের কেউ একজন সে শব্দ শুনতে পেলে তাকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়।
গত ২৫ এপ্রিল নেপাল, বাংলাদেশ ও ভারতে একযোগে আঘাত হানে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প। উৎপত্তিস্থলে রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৯। এরপর গত পাঁচ দিনে বিভিন্ন মাত্রার অন্তত ৬০টি কম্পন অনুভূত হয় বলে স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায় সংবাদমাধ্যম।
এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নেপালে নিহতের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। নিহতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নেপাল প্রধানমন্ত্রী সুশিল কৈরালা।
(সূত্র: বিবিসি)
এমকে





