আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি বলেছেন, তিনি ফিলিস্তিন অঞ্চলে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের অভিযোগ নিয়ে পূর্ণ তদন্ত শুরু করতে চান।
তার এই ঘোষণার প্রেক্ষাপটে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে, ফিলিস্তিন একে স্বাগত জানিয়েছে।
গাজায় ২০১৪ সালে চলা যুদ্ধের প্রাথমিক তদন্ত চলে গত পাঁচ বছর। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান কৌঁসুলি শুক্রবার এই কথা বলেন।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হেগভিত্তিক আদালতের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
২০০২ সালে আদালতটি গঠিত হওয়ার পর থেকে ইসরাইল এখনও এতে স্বাক্ষর করেনি
এক বিবৃতিতে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) কৌঁসুলি ফাতাও বেসসৌদা বলেন, ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণ তদন্ত এগিয়ে নেয়ার যৌক্তিক কারণ রয়েছে।
তিনি অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ না করে বলেন, পূর্ব জেরুসালেম ও গাজা উপত্যাকাসহ পশ্চিম তীরে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিংবা হচ্ছে।
কৌঁসুলি আরো বলেন, ওই এলাকাকে আওতাধীন অঞ্চল হিসেবে রায় দিতে তিনি আইসিসিকে বলবেন।
ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, আমরা ইসরাইলকে অন্যায্যভাবে টার্গেট করবে এমন যেকোনো পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছি।
তিনি আরো বলেন, ফিলিস্তিনকে আমরা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র মনে করছি না। এ কারণে, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহে পূর্ণ সদস্যপদ কিংবা অংশ নেয়ার অবস্থায় ফিলিস্তিন নেই।
সূত্র : এএফপি





