স্লোভানিয়ার সঙ্গে ক্রোশিয়ার সীমান্তে টানা তিন দিন আটকা পড়ে আছেন কয়েক'শ শরণার্থী। স্লোভানিয়ায় প্রবেশ করতে না দেয়ায় দু'দুশের মধ্যে 'নো ম্যানস ল্যান্ডে' ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে দিনাপাত করছেন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে ঘর-বাড়ি ছেড়ে আসা এসব মানুষরা।
স্লোভানিয়ার কৃর্তপক্ষ দেশটিতে প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেয়ায় রোববার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শরণার্থীরা সীমান্ত বেড়ায় লাথি দেন ও তাদেরকে যেতে দেয়ার জন্য চিৎকার করেন।
গত চার দিনে ২০ হাজার মানুষ ক্রোয়েশিয়া প্রবেশ করেন। পরে দেশটির সরকার সিদ্ধান্ত নেয় যে শরণার্থীদেরকে তাদের দেশের মধ্য দিয়ে পশ্চিম ইউরোপে যেতে দেয়া হবে। কিন্তু স্লোভানিয়া পথ বন্ধ করে দিলে প্রায় তিন'শ শরণার্থী আটকা পড়েন।
অনেক বেশি মানুষ হাঙ্গেরি ও স্লোভানিয়া দিয়ে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করায় স্লোভানিয়া কর্তৃপক্ষ দাঙ্গা পুলিশ দিয়ে সীমান্তে বেষ্টনী তৈরি করেছেন। তারা সীমিত আকারে নারী ও শিশুসহ পরিবারগুলোকে সীমান্ত পার হতে দিচ্ছেন।
যাদেরকে সীমান্ত পার হতে দেয়া হচ্ছে তাদের বাসে করে নিয়ে শরণার্থীদের কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদেরকে সীমান্তেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিনিধি লরেন্স লি সোমবার জুবজানা থেকে জানিয়েছেন, স্লোভানিয়া সীমান্তের অবস্থা ব্যতিক্রম।
তিনি বলেছেন, "এখানে অনেক বিছানা, প্রচুর খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী রয়েছে... এক মুহুর্তের জন্য এটাকে একটি দেশ বলে মনে হয়।"
স্লোভানিয়ার অভিবাসন বিভাগের মুখপাত্র বোস্টজান সেফিচ বলেছেন, সরকার এই পদ্ধতিতে তাদেরকে দেশের মধ্য দিয়ে যেতে দিচ্ছে। সবচেয়ে সংগঠিত এই পদ্ধতির ফলে শরণার্থীদেরই বেশি উপকার হচ্ছে।
তিনি বলেছেন, "আশি আশা করি, এভাবে স্লোভানিয়ায় আসা সর্বশেষ শরণার্থী পর্যন্ত আমরা এই কাজ চালিয়ে যেতে পারব।
রোববার জার্মানিতে স্লোভানিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে তাদের দেশ ১০ হাজারের বেশি শরণার্থীকে গ্রহণ করতে পারবে।
জেডআই





