উরিতে স্বাধীনতাকামীদের হামলায় ২১ ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার জের ধরে পাক –ভারত দন্দ চরম আকার ধারন করে।
তখন পাকিস্তানকে বিশ্বের দরবারে সন্ত্রাসীদের মদদ দাতা রাষ্ট্র হিসেবে তুলে দরতে ব্যস্ত হয়ে উঠে।পাকিস্তানকে এক ঘরে করে রাখার জন্য সকল পন্থা অবলম্বন করে ভারত।
এবং পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা গ্রহন করে।তখনি চীন ঘোষনা দেয় পাকিস্তানে হামলা হলে পাশে থাকবে।এবং পাকিস্তানকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী বন্ধু চীন!
আর সেই লক্ষ্যে গোয়েদার বন্দরের পর ফের পাকিস্তানে বিনিয়োগ করল বেইজিং। নতুন করে পাকিস্তানে পরিবহন, পরিকাঠামো ও শক্তি (বিদ্যুৎ) বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আরো বিনিয়োগ করল চীন।
এর আগে দু’দেশ চিন-পাকিস্তান ইকনমিক করিডর নিয়ে চুক্তিতে সাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানে ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে রাজি হয়েছিল চীন। পাশাপাশি নতুন ক্ষেত্রে আরও ৮.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে তারা।
এরফলে বিনিয়োগ বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানে শক্তি, পরিবহন ও পরিকাঠামো পরিকল্পনা খাতে এই অর্থ খরচ হবে।
গতকাল লন্ডনে একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী এহসান ইকবাল।
পাকিস্তানের বিদ্যুৎের একটা সমস্যা রয়েছে দীর্ঘদিনের। সেই মতো পাকিস্তানের মাটিতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় রুখতে ও রাস্তা নির্মাণ, শক্তি পরিকাঠামো পরিকল্পনার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেয়া হয় চীনের পক্ষ থেকে।
পাশাপাশি চীনের উত্তর পশ্চিমে আরব সাগরের মধ্যে দিয়ে গোয়াদর বন্দরের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র স্থাপনও এই প্রজেক্টের মাধ্যমে হবে।
করাচি ও পেশোয়ারের মধ্যেকার রেললাইনের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিকীকরণ ও সিগনালিং ব্যবস্থার উন্নতিতে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে বলে খবর।
এখন পাকিস্তানে ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০- ৮০ কিলোমিটার। আধুনিকীকরণ হলে ট্রেনের গতিবেগ বেড়ে দাঁড়াবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার।
মাহমুদ.





