সিরিয়ায় সংঘাতের মধ্যে ইসলামিক স্টেট এবং সরকারি বাহিনী উভয় পক্ষই নৃশংসতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘ তার সবশেষ মানবাধিকার রিপোর্টে তাদের ভাষায় এই গণহারে চালানো নৃশংসতার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছে।
গত ছয় মাস ধরে সংগ্রহ করা বিভিন্ন সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা ওই রিপোর্টে বলা হয়, ইসলামিক স্টেটের জিহাদিরা সেখানে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
তারা প্রায়ই প্রকাশ্যে লোকজনের 'মৃত্যুদন্ড' কার্যকর করে থাকে, এবং শিশুসহ স্থানীয় অধিবাসীদের এই দৃশ্য দেখতে বাধ্য করা হয়।
হত্যার পাশাপাশি সেখানে লোকজনের হাত-পা কেটে দেয়া, নিয়মানুযায়ী পোশাক না পরার জন্য মহিলাদের প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত - ইত্যাদিও ঘটছে।
তাদের মৃতদেহ ক্রুশবিদ্ধ করে তা প্রকাশ্য স্থানে রাখা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির জন্য দিনের পর দিন এই মৃতদেহগুলো প্রকাশ্যে দেখানো হয়।
ইসলামিক স্টেট সেখানকার ১০ বছর বয়েসের শিশুদেরও সৈনিক হিসেবেও ব্যবহার করছে।
একই সাথে জাতিসংঘ বলছে, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী সেখানে হেলিকপ্টার থেকে ব্যারেল বোমা এবং ক্লোরিন গ্যাস ফেলছে। তারা হাসপাতালের ওপরও গোলাবর্ষণ করে থাকে।
এ বছর অন্তত আটবার রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে সরকারি বাহিনী, বলছে এই রিপোর্ট।
সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা বেসামরিক লোকজনের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকান্ড চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের তদন্তকারীরা বলছেন, সিরিয়ার এই সংঘাতের প্রভাব ইতিমধ্যেই ইরাকের ওপর পড়ছে, এবং এটা পুরো অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে - এমন জোর সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ





