অধিকাংশ মুসলিম পরিবারের বাচ্চারা সাধারণত ১০ বছর বয়স থেকে রোজা রাখা শুরু করে। কিন্তু শিশু মারিয়াম মাত্র তিন বছর বয়সে গত বুধবার বাবা-মায়ের সঙ্গে রোজা রাখলো। এটি মারিয়াম এর জীবনের প্রথম রোজা। 

 

তার এই রোজা রাখায় গর্বিত মারিয়ামের মা ইফফার আবরু এবং বাবা রশিদ হাসান। তারা জানান, মারিয়ামকে রোজা রাখতে তারা উৎসাহিত করেছেন। শুধু তাই নয়। মারিয়াম প্রতিদিন তার মায়ের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং তারাবিহ আদায় করে।

মারিয়ামের মা ইফফার আবরু বলেন, আমি নিজে ছয় বছর বয়স থেকে রোজা রাখতে শুরু করেছিলাম। আল্লাহর কাছে অনেক অনেক কৃতজ্ঞ যে আমার মেয়ে আরও কম বয়স থেকেই পূর্ণ রোজা রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিন বছর সাত মাস বয়সের মারিয়াম প্রথম রোজা রাখার পর আমাদের কাছে কোনো কিছুই আবদার করেনি।

তার মা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে শুধু বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে শুধু আল্লাহর ইচ্ছায়।

মারিয়াম বলেন, বাবা-মা যে ইবাদত করতো আমি তাই অনুসরণ করতাম। পরবর্তী সময়ে বাবা-মা আমার কাছে রোজার তাৎপর্য বর্ণনা করার পর রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নিই।

তার বাবা-মা বলেন, মারিয়াম তার বয়সী শিশুদের জন্য দৃষ্টান্ত এবং অনুকরণীয়।

সৌদি আরবের স্থানীয় একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা এই খবর প্রকাশ করে। খবরটি প্রকাশের পরপরই অনলাইনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ তার জন্য দোয়া করতে থাকেন। তবে শিশুটি কোন দেশের নাগরিক এবং বর্তমান তার অবস্থান কোন শহরে তা উল্লেখ করেনি।

ঢাকা. ৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ