পাঁচ মাস খালি থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংকট চলার মধ্যে জাতিসংঘে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিয়েছে ইরান।

২০১৫ সালে বিশ্বের ছয় শক্তির সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় সহায়তাকারী মজদি তাখতি রাওয়েনজিকে জাতিসংঘে মনোনয়ন দিয়েছে দেশটি।

৬০ বছর বয়সী এ কূটনীতিকে এ পদে নিয়োগ দেয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সত্ত্বেও পরমাণু চুক্তি ধরে রাখতে ইরানের ইচ্ছারই আভাস দিয়েছে।-খবর নিউ ইয়র্ক টাইমসের

যদিও ইরানের পরমাণু চুক্তির ব্যাপক সমালোচনা করে আসছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। পরমাণু সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশকে বিশ্বাস করা বড় ধরনের ভুল ছিল বলে তিনি মনে করেন।

বিদেশের মাটিতে ইরানের কূটনীতিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদটি হচ্ছে জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত। যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তা হবেন তাখতি।

এর আগে তিনি সুইজারল্যান্ডে ইরানের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এ ছাড়া জাতিসংঘের উপ-রাষ্ট্রদূত, উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফের বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাকে জাতিসংঘে দূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া অংশ উল্লেখযোগ্য। এর মাধ্যমে ইরানের ক্ষমতায় জাভেদ জারিফের প্রভাবেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এবি সিদ্দকি