তুরস্কে গুরুত্বপূর্ণ পার্লামেন্ট নির্বাচনে বৃহত্তম দল হিসেবে অবস্থান অক্ষুণ্ন রাখলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে ক্ষমতাসীন একে পার্টি।

গত ১৩ বছরের মধ্যে এবারই যে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল। কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন নির্বাচন হতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। কোনো দলই কোয়ালিশন সরকার গঠন করতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না।

৯৯.৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন একেপি পেয়েছে ৪১ শতাংশ ভোট। আর প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) পেয়েছে ২৫ শতাংশ ভোট।

তৃতীয় দলের স্থান পেয়েছে ন্যাশনালিষ্ট মুভমেন্ট পার্টি (১৬.৫ শতাংশ)। বাম ধারার কুর্দি দল এইচডিপি পেয়েছে ১৩ ভাগ ভোট।

এই হিসাবে একে পার্টি ২৫৮, সিএইচপি ১৩২, এমএইচপি ৮১ এবং এইচডিপি পাচ্ছে ৭৯ আসন।

গত পার্লামেন্টে একে পার্টির ছিল ৩১১ আসন।

প্রধানমন্ত্রী আহমেদ দাতুভলু বলেছেন, জনগণের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। এই রায় মেনে নেয়া সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব। তিনি বলেন, আমরা আমাদের মিশনে এগিয়ে যাব।

খবর অনুযায়ী ৫৫০টি আসনের মধ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠা পেতে হলে ২৭৬ আসন পেতে হয়। কিন্তু একেপি পেয়েছে ২৫৮টি আসন। কোয়ালিশন সরকার গঠন করতে হলে তাদেরকে আরো ১৮টি আসন পেতে হবে।

নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠা পেলে সংবিধান সংশোধন করে দেশটিতে প্রেসিডেন্ট শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হতো।

এতে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হতেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগান। তুরস্কে গত ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে একেপি।

তবে এবারই দলটি সবচেয়ে বড় নির্বাচনী চ্যালেঞ্জে পড়েছে। এরদোগান ২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ক্ষমতায় এসেছিলেন।

এই নির্বাচন কুর্দিদের জন্য বিশেষ সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। আগে কখনো তারা জাতীয় নির্বাচনে এমন সাফল্য পায়নি।

এসএইচ