বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৭ লাখ ৩৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ছাড়িয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ (১২ আগস্ট) বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১১ জনে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৮৯৮ জনের। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সেরে উঠেছেন ১ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার ৩৮১ জন।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আজ (১২ আগস্ট) বুধবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ লাখ ৪০ হাজার ৫১২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২৮ জন মানুষের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত সুস্থ্য হয়েছেন ১৭ লাখ ১৪ হাজার ৯৬০ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ব্রাজিল। আক্রান্ত ও মৃত্যু উভয় বিবেচনায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩০ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৫২ জনের।

বিশ্বে আক্রান্ত বিবেচনায় তৃতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ হাজার ২৫৭ জনের।

মৃত্যু বিবেচনায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী মেক্সিকো, তবে আক্রান্ত বিবেচনায় দেশটির অবস্থান ছয় নম্বরে। মেক্সিকোতে আজ (১২ আগস্ট) বুধবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৯২ হাজার ৫২২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫৩ হাজার ৯২৯ জনের।

এদিকে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) করোনাভাইরাস বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনলাইন বুলেটিনে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৫ হাজার ৩১৭টি এবং পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৮২০টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৮টি। ২৪ ঘণ্টায় যা নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাতে করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৯৯৬ জনের মধ্যে। ফলে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং নারী পাঁচজন। এ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তিন হাজার ৪৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৩৫ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৯৭২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৩ জনের মধ্যে ১০ বছরের বেশি বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব পাঁচজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন, ষাটোর্ধ্ব ১৪ জন, সত্তরোর্ধ্ব তিনজন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী তিনজন ছিলেন। ঢাকা বিভাগের ছিলেন ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, রাজশাহী বিভাগের পাঁচজন, রংপুর বিভাগের চারজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ছিলেন একজন।

এমবি