শনিবার (২০ জুন) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে হাসান ফাদলাল্লাহ বলেন, চারিদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে আমাদের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হলো, শত্রুপক্ষ যেন এই যুদ্ধবিরতিকে সম্পূর্ণ এবং ব্যাপকভাবে সম্মান জানায়। তারা যেন আমাদের দেশ ও গ্রামগুলোতে নতুন করে কোনো হামলা চালানোর চেষ্টা না করে এবং কোনো নতুন অবস্থান দখলের ধৃষ্টতা না দেখায়।

গতকালের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিনই লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী নতুন করে সামরিক তৎপরতা ও বোমাবর্ষণ শুরু করলে এই প্রতিক্রিয়া জানায় হিজবুল্লাহ। হাসান ফাদলাল্লাহ তার বিবৃতিতে আরও যোগ করেন যে, ইসরাইল এখানে স্পষ্টতই আক্রমণকারী এবং দখলদার শক্তি। ফলে তারা যখনই লেবাননের ওপর আঘাত হানবে, তখনই এই শত্রুর মুখোমুখি দাঁড়ানো এবং নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করার সম্পূর্ণ আইনগত ও নৈতিক অধিকার এই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রয়েছে।

লেবাননের রাজনৈতিক ও সামরিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় ইসরাইলের এই আগ্রাসী মনোভাব সীমান্ত অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আবারও চরম উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিতে পারে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এই কড়া বার্তা তারই ইঙ্গিত বহন করছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এস